ExamBD

কম্পিটারের ইতিহাস part 1

কম্পিউটারের ইতিহাস

---  কম্পিউট’ শব্দের অর্থ গণনা করা। কম্পিউটার হলো গণনাকারী যন্ত্র বা হিসাব যন্ত্র।
---- কম্পিউটার যা কিছু করে তার পুরোটাই একটা সিস্টেমের (সফটওয়ার) মধ্য দিয়ে চলে।
--- পরবর্তীতে ব্যাবেজের চিন্তাভাবনার বাস্তবায়ন ঘটান হাওয়ার্ড আইকেন। তিনি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটারের আবিষ্কারক।
— প্রথম কম্পিউটার হলো 'ABC(Atanasoff
Berry Computer)এটি সাধারণ নন
পারপাস কম্পিউটার।
— প্রথম ইলেকট্রনিক কম্পিউটার হলো 'ENIAC" (Electronic Numerical Integrator and Calculator)। ১৯৪৫ সালে জন ভন নিউম্যান  তৈরি করেন 'EDVAC" কম্পিউটার। তিনি আধুনিক কম্পিউটারের জনক হিসেবে খ্যাত।
--- বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য প্রথম বাজারে ছাড়া হয় ১৯৫১ সালে তৈরি 'UNIVAC।
— আধুনিক কম্পিউটারের দ্রুত অগ্রগতির মূলে রয়েছে ইন্টিগ্রেটেড সার্কিট (আইসি)। এর
আবিষ্কারক জে এস কেলবি । কম্পিউটার চিপ বা আইসি তৈরিতে সর্বাধিক ব্যবহৃত হয় সিলিকন ।
আইসি চিপ দিয়ে তৈরি প্রথম ডিজিটাল কম্পিউটার হলো IBM system360.
--- মাইক্রোপ্রসেসর আবিস্কৃত হয় ১৯৭১ সালে আবিষ্কারক ড. টেড হফ। প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর হলো ইনটেল-৪০০৪।
- বর্তমানে কম্পিউটার জগতের কিংবদন্তী হলেন বিল গেটস। স্টিভ জবস হলো বিখ্যাত কম্পিউটার ব্যক্তিত্ব।
— বাংলাদেশে স্থাপিত প্রথম কম্পিউটার হলো
আইবিএম- ১৬২০ । এটি পরমাণু শক্তি
কমিশনে স্থাপিত হয়।
--- ইন্টারনেট চালু হয় ১৯৬৯ সালে। বাংলাদেশেইন্টারনেট চালু হয় ১৯৯৬ সালে। ইন্টারনেট ভিত্তিক প্রথম নিউজ এজেন্সি হলো বিডি নিউজ।

--- বাংলাদেশের প্রথম ডিজিটাল পত্রিকার নাম কম্পিউটার জগৎ (প্রকাশিত ১৯৯১)।
— অ্যাবাকাস প্রাথমিক গণনাযন্ত্র। এটি বিশ্বের
প্রথম গণানাকারী যন্ত্র ।
— কম্পিউটার সফটওয়্যার জগতে নামকরা
প্রতিষ্ঠান Microsoft এবং এর প্রতিষ্ঠাতা
কিংবদন্তি বিল গেটস।
— প্রথম যান্ত্রিক ক্যালকুলেটর তৈরি করেন জার্মান গণিতবিদ লিবনিজ ।
--- কম্পিউটারের মূল মেমরি তৈরি হয় সিলিকন দিয়ে।
—বিশ্বের প্রথম এবং একমাত্র কম্পিউটার যাদুঘর যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টায় অবস্থিত।
--- কম্পিউটার জেনারেশন বা প্রজন্ম বলতে এর  প্রযুক্তিগত বিবর্তনকেই বোঝানো হয়।
— প্রথম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৪০-১৯৫৮)
বৈশিষ্ট্য : আকারে খুবই বড়। ভ্যাকুয়াম টিউব
বা বায়ুশূন্য টিউবের ব্যবহার। সীমিত তথ্য
ধারণ ক্ষমতা। টিউবের উত্তাপ সমস্যা । প্রথমে
মেশিন ভাষা, তারপর এাসেম্বলী ভাষার
ব্যবহার। উদাহরণ : ABC, ENIACi
EDSAC, UNIVAC-1, MARK I, II, III etc. }
-----দ্বিতীয় প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৫৮-১৯৬৫)  বৈশিষ্ট্য : আকৃতির সংকোচন। ভ্যাকুয়াম টিউবের পরিবর্তে ট্রানজিস্টারের ব্যবহার। প্রধান স্মৃতি হিসেবে চৌম্বক কোর স্মৃতি ব্যবহার। তাপ সমস্যার অবসান, কাজের গতি বৃদ্ধি ।FORTRAN, COBOL প্রভৃতি প্রোগ্রামিং ভাষার উদ্ভব, বিকাশ ও ব্যবহার।
উদাহরণ : IBM 1400, IBM 1500, IBM 1620 etc.
---- তৃতীয় প্রজন্মেরকম্পিউটার (১৯৬৫-১৯৭১)
বৈশিষ্ট্য : ইন্ট্রিগ্রেটেড সার্কিট বা IC এর
ব্যবহার। সেমিকন্ডাক্টর মেমরি বা অর্ধপরিবাহী।
মৃতির ব্যবহার (যেমন RAM, ROM)। মিনি
কম্পিউটারের উদ্ভব। উচ্চতর ভাষার ব্যাপক
ব্যবহার। আউটপুটের জন্য ভিডিও ডিসপ্লে
ইউনিট ও লাইন প্রিন্টারের ব্যবহার। উদাহরণ: IBM 360, IBM 370, PDP-8 etc.

— চতুর্থ প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৭১- ১৯৯৫)
বৈশিষ্ট্য : মাইক্রো প্রসেসর নামক IC এর
ব্যবহার। তথ্য ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি । প্যাকেজ
প্রোগ্রামের ব্যবহার। মাইক্রো কম্পিউটারের
উদ্ভব। উদাহরণ : IBM 3033, IBM 434,
HTMLDVD, ipod etc.
--- পঞ্চম প্রজন্মের কম্পিউটার (১৯৯৫বর্তমান )
বৈশিষ্ট্য : তথ্য ধারণ ক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি ।
VLSI এর ব্যবহার। SOFTWARE এর
উন্নতি। শ্রবণযোগ্য শব্দ দিয়ে কম্পিউটারের সাথে সংযোগ । কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) ব্যবহার।
এর লজিক সার্কিটগুলোতে ফাইবার অপটিক Cable ব্যবহার।
— ষষ্ঠ প্রজন্মের কম্পিউটার বৈশিষ্ট্য  : কণ্ঠস্বর
সনাক্তকরণ ও মৌখিক ভাষা ব্যবহার করে
কম্পিউটার চালনা। বিশ্বের সকল ভাষায়
কম্পিউটিং। কম্পিউটার বর্তনীতে অপটিক্যাল
ফাইবারের ব্যবহার। বহু মাইক্রো প্রসেসর বিশিষ্ট একীভূত বর্তনী। চৌম্বক বা বল মেমোরির ব্যবহার। মেমেরি ও ডেটা ধারণক্ষমতার ব্যাপক উন্নতি এবং স্টোরেজ যন্ত্রের ব্যাপক ব্যবহার । বহুমুখী
ইনপুট ও বহুমুখী আউটপুট যন্ত্রের ব্যবহার,
বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক প্রযুক্তির চরম বিকাশ। মান্টি প্রসেসিং ও মাল্টি টাঙ্কিং সিস্টেমের ব্যাপক ব্যবহার।

SUBSCRIBE TO OUR NEWSLETTER

Seorang Blogger pemula yang sedang belajar

0 Response to "কম্পিটারের ইতিহাস part 1"

Post a comment

চাকরির প্রস্তুতি সহায়ক বই
চাকরির খবর
বিসিএস রিভিউ

View All

সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর

View All