ExamBD

কুরবানীর দিন আহার করা এবং নামাজ থেকে এসে কুরবানী করা

গ্রন্থঃ সহীহ বুখারী (ইফাঃ)
অধ্যায়ঃ ১৩/ দুই ঈদ (كتاب العيدين)
হাদিস নম্বরঃ ৯০৭

উসমান (রহঃ) ... বারাআ ইবনু আযিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল আযহার দিন সালাত (নামায/নামাজ)-এর পর আমাদের উদ্দেশ্যে খুতবা দান করেন। খুতবায় বলেনঃ যে আমাদের মত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করল এবং আমাদের মত কুরবানী করল, সে কুরবানীর রীতিনীতি যথাযথ পালন করল। আর যে সালাত (নামায/নামাজ)-এর আগে কুরবানী করল তা সালাত (নামায/নামাজ)-এর আগে হয়ে গেল, কিন্তু এতে তার কুরবানী হবে না। বারাআ এর মামা আবূ বুরদাহ্ ইবনু নিয়ার (রাঃ) তখন বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার জানামতে আজকের দিনটি পানাহারের দিন। তাই আমি পছন্দ করলাম যে, আমার ঘরে সর্বপ্রথম যবেহ করা হোক আমার বকরীই। তাই আমি আমার বকরীটি যবেহ করেছি এবং সালাত (নামায/নামাজ) আসার পূর্বে তা দিয়ে নাশতাও করেছি। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার বকরীটি গোশতের উদ্দেশ্যে যবেহ করা হয়েছে। তখন তিনি আরয করলেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমাদের কাছে এমন একটি ছয় মাসের শেষ শাবক আছে যা আমার কাছে দু’টি বকরীর চাইতেও পছন্দীয়। এটি (কুরবানী দিলে) কি আমার জন্য যথেষ্ট হবে? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ, তবে তুমি ব্যতীত অন্য কারো জন্য যথেষ্ট হবে না।

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

SUBSCRIBE TO OUR NEWSLETTER

Seorang Blogger pemula yang sedang belajar

0 Response to "কুরবানীর দিন আহার করা এবং নামাজ থেকে এসে কুরবানী করা"

Post a comment

চাকরির প্রস্তুতি সহায়ক বই
চাকরির খবর
বিসিএস রিভিউ

View All

সাম্প্রতিক প্রশ্নোত্তর

View All